যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে বাধ্য করেছে। এই তালিকায় নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোর জন্য শর্তটি ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫ হাজার ডলার প্রায় ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

ভিসা পাওয়া ব্যক্তিদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও বহির্গমনে বোস্টন লোগান (বিওএস), জন এফ কেনেডি (জেএফকে) ও ওয়াশিংটন ডুলাস (আইএডি) বিমানবন্দর ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এই শর্ত না মানলে প্রবেশ প্রত্যাখ্যাত হতে পারে বা দেশত্যাগের তথ্য নথিবদ্ধ নাও হতে পারে।

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিশ্বের যেকোনো দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে নগদ লেনদেনে প্রতি ১০০ ডলারে ১ ডলার অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয়েছে, যা চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে কার্যকর।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তালিকায় নতুন যুক্ত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, বেনিন, বুরুন্ডি, কেপভার্দে, কিউবা, জিবুতি, ডোমিনিকা, ফিজি, গ্যাবন, আইভরি কোস্ট, কিরগিজস্তান, নেপাল, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, তাজিকিস্তান, টোগো, টোঙ্গা, টুভালু, উগান্ডা, ভানুয়াতু, ভেনেজুয়েলা ও জিম্বাবুয়ে। এর আগে তালিকায় ছিল ভুটান, বতসোয়ানা, মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, গিনি, গিনি-বিসাউ, মালাউই, মৌরিতানিয়া, নামিবিয়া, সাও তোমে অ্যান্ড প্রিন্সিপে, তানজানিয়া, তুর্কমেনিস্তান ও জাম্বিয়া।

ভিসা আবেদনকারীদের সশরীরে সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে হবে এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের আই-৩৫২ ফর্ম ও Pay.gov প্ল্যাটফর্মে সম্মতি দিতে হবে। বন্ডের পরিমাণ সাক্ষাৎকারকালে নির্ধারিত হবে। ভিসা প্রত্যাখ্যাত হলে বা শর্ত মেনে চললে অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪ জানুয়ারি ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশকে ১৯তম স্থানে রেখেছেন, যেখানে বাংলাদেশি অভিবাসী পরিবারের ৫৪.৮ শতাংশ সরকারি সহায়তা নেয়। এই নিয়মগুলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপ।